ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ তাদের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট বাছাই করতে দেশজুড়ে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সাবেক স্বৈরশাসক ফার্দিনান্দ মার্কোসের ছেলে ফার্দিনান্দ বংবং মার্কোস জুনিয়রের। তিনি বিজয়ী হলে ৩৬ বছর আগে পতন হওয়া মার্কোস পরিবার আবার ক্ষমতার স্বাদ পাবে। বিবিসি।
মার্কোস জুনিয়রের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন লেনি রোব্রেডো, যিনি ২০১৬ সালের ভাইস-প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মার্কোসকে পরাজিত করেছিলেন। কিন্তু এবার ভোট জরিপে দেখা যাচ্ছে, মার্কোস জুনিয়র ধারাবাহিকভাবে তার চেয়ে ৩০ শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ৬৭ মিলিয়ন বা ৬ কোটি ৭০ লাখ। নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতির উচ্চহার আশা করা হচ্ছে, কারণ আজ সোমবার ভোর থেকেই লাইনে দাঁড়াতে দেখা গেছে ভোটারদের। তবে ইতোমধ্যেই কেন্দ্রগুলোতে ভোট সংক্রান্ত সমস্যার খবর পাওয়া গেছে।
দেশটির অস্থিতিশীল মিন্দানাও অঞ্চলে গত রোববার গভীর রাতে একটি ভোট কেন্দ্রের বাইরে গ্রেনেড হামলা হয়। এতে অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ এএফপির কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নির্বাচনে যিনি জয়লাভ করবেন তিনি আগামী ৬ বছরের জন্য দেশ শাসনের ম্যান্ডেট পাবেন।
যিনি ভোটে জিতবেন তিনি বর্তমান প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তের কাছ থেকে দায়িত্ব নেবেন। রদ্রিগো শক্তিশালী নেতা, যিনি ছয় বছরের মেয়াদ শেষ করলেন। তার সরকার মাদক ও অপরাধ দমনে নিষ্ঠুরতার জন্য সমালোচিত হয়েছে। যদিও তার প্রশাসন সবসময়ই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
'গোলাপী বিপ্লবে'র নেতৃত্ব দিচ্ছেন নারী: বংবং মার্কোসের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী লেনি রোব্রেডো। তিনি একজন মানবাধিকার আইনজীবী এবং উদারপন্থী আইন প্রণেতা। ক্রমাগতভাবে দুতার্তের মাদক সহিংসতা এবং লিঙ্গ বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছেন রোব্রেডা।
তার রানিং পার্টনার হলেন বর্তমান প্রেসিডেন্টের মেয়ে সারা দুতার্তে। উভয়েরই বিস্তারিত নীতি পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই জুটির নির্বাচনী সমাবেশ খুব কমই প্রচার পায়। নির্বাচনী প্রচারে রোব্রেডার স্লোগান হচ্ছে, ‘সৎ সরকার, সবার জন্য উন্নত জীবন’।


0 coment rios:
No 1 বাংলা নিউজপেপার