ছিলেন শ্রীলঙ্কার আম্পায়ার। বিসিবির এক পরিচালকের মাধ্যমে চাকরি হয়ে যায় বাংলাদেশে। ২ বছর নানা পদে থাকার পর কিউরেটর হিসেবে চাকরি পান গামিনি ডি সিলভা। গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে হোম অব ক্রিকেট মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের প্রধান কিউরেটর এই লঙ্কান।
তার কাজ নিয়ে সমালোচনার অন্ত নেই। ক্রিকেটার, সংবাদকর্মী থেকে শুরু করে আনসার সদস্যের সঙ্গেও বাজে ব্যবহার করে পার পেয়ে যান অদৃশ্য ক্ষমতাবলে। তার বানানো উইকেটের সমালোচনা করে জরিমানা গুণতে হয়েছে তামিম ইকবালকেও। ক্রিকেটারদের পছন্দের উইকেট বানাতে ব্যর্থ তিনি।
চলমান সমালোচনা, বিতর্ক কিছুই অবশ্য তাকে স্পর্শ করছে না। বিতর্কিত এই কিউরেটরকে ছায়া দিয়ে রেখেছে বিসিবি। সোমবারও মিরপুর স্টেডিয়ামে বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুব আনাম গামিনির পক্ষেই কথা বললেন। এই লঙ্কানের ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধে নিলেন।
গামিনির বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও মিরপুরের বাজে উইকেট- সর্বোপরি তার পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন করলে মাহবুব আনাম বলেন, ‘আমি কাউকে নিয়ে আলাদাভাবে মন্তব্য করব না। মিরপুরের মতো স্টেডিয়ামে ৬০ দিনের বেশি খেলা উচিত না। সেখানে জানুয়ারি থেকে শুরু করে ১২০ দিন খেলেছি আমরা। এটা বিবেচনা করবেন না? আমার মনে হয়, এখানে স্বয়ং বিধাতা আসলেও মনের মতো উইকেট বানানো সম্ভব না! তাই দায়টা গামিনির নয়, বোর্ড হিসেবে আমাদের নেওয়া উচিত।’
গামিনির সমালোচনা মানতে নারাজ বিসিবির এ পরিচালক। তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন, তাহলে সেটা এটা খুব অন্যায় হবে। কারণ এই মাঠে যে জয়গুলো আছে তার মালাটাতো অন্য কাউকে পরাতে পারি। সেটা না করে মালাটাতো আমরা বোর্ডই নিই।’
অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জয়গুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মাহবুব আনাম বলেন, ‘আপনারা কিন্তু জয়গুলো দেখেননি, আমরা ইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়ার মত পরাশক্তির বিপক্ষে টেস্ট জয় করেছি। আমরা নিউজিল্যান্ডের মতো দলকে এই মাঠে হারিয়েছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিতেছি। যে সমালোচনাগুলো হয়, সেটা অজ্ঞতার কারণে হয়। আমরা যদি বৈজ্ঞানিকভাবে উপলদ্ধি করি, তাহলে অনেক কিছু ভালো শোনাবে।’


0 coment rios:
No 1 বাংলা নিউজপেপার